বাঙালি অভিধানে চালাক শব্দটির  দুটি জিনিস বোঝায় 1) বুদ্ধিমান 2) চতুর, চতুর, বুদ্ধিমান, বুদ্ধিমান। আবার চতুর চতুর মানে স্মার্ট এবং বুদ্ধিমান। তাই আমরা শুধু চতুর শব্দ এড়াতে চেয়েছিলেন। আমি চতুর চতুর সম্পর্কে কথা বলতে হবে। স্মার্ট বা চতুর হচ্ছে প্রাকৃতিক না। এটা শেখার মত কিছু। স্মার্ট এবং বুদ্ধিমান বা চতুর হতে ধারণা যোগ করার জন্য অনেক আছে। যারা সম্পর্কে কিছু ধারনা থাকবে। সুতরাং শুরু করা যাক, চতুর চতুর হতে পারে কিভাবে?


চতুর চতুর সম্পর্কে কিছু সামাজিক ধারনা আনয়ন

সমাজের বিভিন্ন অংশ থেকে মানুষ প্রমাণ করে যে অনেক চতুর কৌশল চতুর হয়ে উঠেছে। উদাহরণস্বরূপ, দোকানদার তার পণ্যটিতে খারাপ পণ্য মিশ্রিত করে গ্রাহককে বোকা বানায়। নিজেকে চতুর চতুর করতে। আমরা একটি ঘৃণ্য চোখ এটি দেখতে। এটি একটি নিষ্ঠুর flaky। চকচকে প্রভাব কিছু ক্রেতারা দোকানদার বোকা। নিজেকে চকচকে।

How clever can be clever? Ways to be intelligent- কিভাবে চালাক চতুর হওয়া যায়? বুদ্ধিমান হওয়ার উপায়


কখনো কখনো অসহায় মানুষদের বলা হয় বোকা। চালাক ভাবা হয় শুধু ধনীদের। টাকার মাপকাঠিতে চালাক চতুরের পরিমাপ হয়। সমাজের উর্ধতন লোকেরা নিজেদের চালাক চতুর ভাবেন। আর নিম্নশ্রেনীর লোকেদের ভাবেন বোকা। এসব অনেক আগের হিসেব নিকেশ।
ইদানীং সমাজ অনেকটা বদলেছে। কিছুটা বোঝার চেষ্টা করছে কৌশল বা প্রকৌশল প্রয়োগ করাও চালাক চতুর হবার আরেক উপায়। তাই এদিকে আজকাল বেশি নজর। স্মার্টনেস হতে গেলে চালাক চতুর হতে হয়।

কৌশল প্রয়োগ করে কিভাবে চালাক চতুর হওয়া যায়?

প্রকৌশল আর প্রোএক্টিভ কথাটার মাঝে অনেক মিল আছে। বোকারা কাজ করেন রি-এক্টিভ পদ্ধতিতে। চালাক চতুর যারা কাজ করেন কাজ আসার আগেই খোঁজ খবর থাকে। নিজেই কাজটা নিয়ে ভাবেন বেশি। যেহেতু মানব জীবনের সবকিছু কাজ নির্ভর। আপনি কাজ করলেই আপনার গুন বা দোষ প্রকাশ পায় সেক্ষেত্রে কাজে কৌশলী হওয়া আবশ্যক। প্রকৌশল হচ্ছে কারিগরি জ্ঞান। যে কাজ করবেন তার খুঁটিনাটি প্রয়োগ পদ্ধতি সর্বশেষ বিজ্ঞানের উপর ভিত্তি করে করা উচিত। তবেই বাস্তবিকভাবে কৌশলী হতে পারবেন। জ্ঞান চর্চা করা সব মানুষেরই চালাক চতুর হবার প্রথম এবং প্রধান উপায়। জ্ঞান হতে পারে যে কোন বিষয়ের।

সক্রিয় এবং সজাগ থেকে চালাক চতুর হওয়া যায়

শুধুমাত্র বাংলাদেশের মত দেশে কারিগরি বা বিস্তারিত কাজের জ্ঞান না থাকলেও চালাক চতুর হওয়া যায়। এক্ষেত্রে আপনাকে সজাগ আর সক্রিয় থাকতে হবে। কান চোখ বেশি খোলা রাখা যাকে বলে। সব শুনতে হবে, সব দেখতে হবে। বলাটা প্রয়োজন মাফিক। কাজ না জেনেও কেন এই গুন আপনাকে চালাক চতুর হিসেবে গন্য করবে? কারন বাংলাদেশে এমন লোকের অনেক অভাব। বেশিরভাগ মানুষ নিষ্ক্রিয় টাইপ। যখন যা দরকার তা-ই করে। অনেক মানুষেরই ভবিষ্যত পরিকল্পনা নেই। এটা আমি হলফ করে বলতে পারি। যদি আপনার ক্ষেত্রে ব্যাতিক্রম হয়, তাহলে ধরে নিচ্ছি আপনি অনেকটাই চালাক চতুর।

চালাক চতুর অর্জন করার বিষয়, পড়ালেখা করেও এগিয়ে নেয়া যায়

চালাক চতুর হওয়া অর্জন করার বিষয়। পড়ালেখা করেও অর্জন করতে পারেন। অনেকেই বলেন, বুদ্ধিমান বা চালাক চতুর হওয়া জেনেটিক ব্যাপার। এই বিষয়ে আমি দ্বিমত। অনেক ছেলেমেয়ে দেখেছি এতই চালাক যে তার বাবা মা তার ধারে কাছে তো দূরে থাক পাড়ায় নেই।
আবার অন্যদিকে অনেক চালাক বাবা মায়ের ছেলেমেয়েরা এতই অথর্ব যে ভাবাই যায় না কি করে হলো? এর মানে একটাই-চালাক চতুর হতে গেলে জেনেটিক বা বংশ পরষ্পরা তেমন কোন প্রভাব ফেলে না। পরিবেশ কিংবা স্বাস্থ্য কিছুটা দ্বায়ী। কিন্তু স্টিফেন হকিং এর দিকে তাকান। শারিরীক  অবস্থার কথাও ভুলে যাবেন।

বই পড়া মানুষকে কিভাবে চালাক চতুর হতে সাহায্য করে

কিভাবে চালাক চতুর হওয়া যায় জানতে হলে বইয়ের দিকে খেয়াল করুন। প্রচুর বই পড়া মানুষকে চালাক চতুর হতে সাহায্য করে। বিখ্যাত চালাক চতুর মানুষদের জীবনী গ্রন্থ পরে দেখতে পারেন। এই বিষয়ে বিশ্বের ১০০শ্রেষ্ঠ মনীষির জীবনি বইটি পড়লে আপনার ধারনা বদলে যেতে পারে। না পড়ে কেউই মনীষী হননি। মহামানবদের কথা বাদ থাকবে কেন? তাঁরা পরিবেশকে পড়েছেন, পর্যবেক্ষন করেছেন। তাঁরা সাধনা করেছেন। বই পড়ার অভ্যাস যাদের আছে তারা অনেক কিছু বোঝেন অন্যদের চাইতে।

শরীর চর্চা বা খেলাধুলা কিভাবে চালাক চতুর হতে সাহায্য করে?

মস্তিষ্ক দ্রুত পরিচালনার জন্য দরকার সুস্থ্য শরীর। এজন্য ব্যায়াম খেলাধুলা দরকার। অকেজো শরীর যা নিয়তই পেইন দেয় তার ভেতর দিয়ে ভাল বুদ্ধির চর্চা করা খুবই দুরুহ।

এছাড়াও কিভাবে চালাক চতুর হওয়া যায়  বিভিন্ন সোর্স অনুসরন করে-

চালাক চতুর হতে গেলে অনেক বিষয়ের উপর লেখা বই কিংবা ডকুমেন্টারি ভিডিও, মুভি বা চলচ্ছিত্র দেখা যেতে পারে।  ম্যাগাজিন, প্রবন্ধ, ইত্যাদি পড়তে হয়।
খবরের কাগজ আর আশেপাশের চলতি খবরে কান দিতে হয়। পরিবেশ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানাটাও একটা অধ্যায় চালাক চতুর হবার।
চালাক চতুর হওয়া খুবই জরুরী। যা দেশের মানুষের জন্য কার্যকরী। চীনারা অনেক বেশী কৌতুহলী আর পরিশ্রমী। তারা বিশ্বে অনেক বেশি চালাকও। কারিগরি জ্ঞান আর দক্ষতা তাদের চালাকীর অন্যতম কারন। তাদের কাছ থেকে চালাক চতুর হওয়ার বেশি উপকরন পাওয়া যেতে পারে।
একটি জাতি হিসাবে, বাংলাদেশী অনেক মূঢ় ধরনের আছে। এটা আমাদের উত্তরাধিকার সূত্র পাওয়া যায়। সুতরাং, যদি সন্তানের সামনে আগুন ধরা পড়ে তবে সে সোনা ধরতে যায়। আমাদের দেশের বেশিরভাগ লোকেরা যখন টাকা দেখে তখন তাদের পকেটে রাখতে চায়। মাঝখানে, চতুরতা মধ্যে চতুর হতে অনেক চতুরতা আছে।
এর জন্য, বাংলা অভিধানে ক্লিভার শব্দটির দুটি অর্থ রয়েছে যা আমি প্রথম স্থানে রেখেছি। আমরা চতুর এবং চতুর হতে কিভাবে জানতে চাই। চকচকে মুখোশ চুরি করে না, ব্যক্তি কাউকে ক্ষতি করতে পারে না।