Bangla Tech Blog

  • Recent Post

    10 most beautiful mosques in the world ! বিশ্বের সবচে সুন্দর ১০টি মসজিদbanglatech


    10 most beautiful mosques in the world ! বিশ্বের সবচে সুন্দর ১০টি মসজিদ banglatech

    বন্ধুরা 
    আজ আমি আপনাদের দেখাবো  বিশ্বের সবচে সুন্দর ১০টি মসজিদ । যা আপনি আগে কখনো্ও দেখেন নি। তো চলুন শুরু করি।


    ১. মসজিদ আল-হারাম 

    beautiful mosques in the world,top 10 most beautiful mosques in the world,most beautiful mosques in the world,most beautiful mosque in the world,largest mosque in the world,beautiful mosques,biggest mosque in the world,beautiful mosque in the world,top 10 beautiful mosque in the world,top 10 most beautiful mosque 2016,top 10 mosques in the world,top 10 mosque in the world, bangladesh,ntv live bangladesh,bangla natok,bangla,al haram mosque,badshahi mosque,beautiful mosques in the world,most beautiful mosques in the world,baitul falah,allah,islam,al aqsa mosque,architecture,alhamdulillah,eid mubarak song,beautiful mosques,largest mosque in the world,biggest mosque in the world,sultan omar ali saifuddin mosque,natok,mosques,islamic,eid natok,faisal mosque,nabawi mosque,biggest mosque

    ইসলামের সবচেয়ে পবিত্র স্থান যা কাবাকে ঘিরে অবস্থিত। সৌদি আরবের মক্কা শহরে এর অবস্থান। মুসলিমরা নামাজের সময় কাবার দিকে মুখ করে দাঁড়ায়। হজ্জ ও উমরার জন্যও মসজিদুল হারামে যেতে হয়।

    ভেতরের ও বাইরের নামাজের স্থান মিলে মসজিদের বর্তমান কাঠামো প্রায় ৩,৫৬,৮০০ বর্গমিটার (৮৮.২ একর) জুড়ে অবস্থিত। মসজিদ সার্বক্ষণিক খোলা থাকে। হজ্জের সময় এখানে উপস্থিত হওয়া মানুষের জমায়েত পৃথিবীর বৃহত্তম মানব সমাবেশের অন্যতম।  (আরও পড়ুন...)

    ২. মসজিদে নববী 

    beautiful mosques in the world,top 10 most beautiful mosques in the world,most beautiful mosques in the world,most beautiful mosque in the world,largest mosque in the world,beautiful mosques,biggest mosque in the world,beautiful mosque in the world,top 10 beautiful mosque in the world,top 10 most beautiful mosque 2016,top 10 mosques in the world,top 10 mosque in the world, bangladesh,ntv live bangladesh,bangla natok,bangla,al haram mosque,badshahi mosque,beautiful mosques in the world,most beautiful mosques in the world,baitul falah,allah,islam,al aqsa mosque,architecture,alhamdulillah,eid mubarak song,beautiful mosques,largest mosque in the world,biggest mosque in the world,sultan omar ali saifuddin mosque,natok,mosques,islamic,eid natok,faisal mosque,nabawi mosque,biggest mosque

    মুহাম্মদ (সা) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মসজিদ যা বর্তমান সৌদি আরবের মদিনায় অবস্থিত। গুরুত্বের দিক থেকে মসজিদুল হারামের পর মসজিদে নববীর স্থান। মুহাম্মদ (সা) হিজরত করে মদিনায় আসার পর এই মসজিদ নির্মিত হয়। এটি পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ মসজিদ। মসজিদ দিনরাতের সবসময় খোলা থাকে।

    মুহাম্মদ (সা) এর বাসগৃহের পাশে এই মসজিদ নির্মিত হয়েছিল। তিনি নিজে ব্যক্তিগতভাবে মসজিদের নির্মাণকাজে অংশ নিয়েছিলেন। সেসময় মসজিদ সম্মিলনস্থল, আদালত ও মাদ্রাসা হিসেবে ভূমিকা পালন করেছে। পরবর্তীকালের মুসলিম শাসকরা মসজিদ সম্প্রসারণ ও সৌন্দর্যবর্ধন করেছেন। ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে আরব উপদ্বীপের মধ্যে এখানেই সর্বপ্রথম বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালানো হয়।  মসজিদ খাদেমুল হারামাইন শরিফাইনের নিয়ন্ত্রণে থাকে। মসজিদ ঐতিহ্যগতভাবে মদিনার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। মসজিদে নববী অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান বিধায় হজ্জের সময়ে আগত হাজিরা হজ্জের আগে বা পরে মদিনায় অবস্থান করেন।

    উমাইয়া খলিফা প্রথম আল ওয়ালিদের শাসনামলে সম্প্রসারণের সময় মুহাম্মদ (সা) এবং প্রথম দুই খুলাফায়ে রাশেদিন আবু বকর ও উমরের কবর মসজিদের অংশ হয়। মসজিদের দক্ষিণপূর্ব দিকে অবস্থিত সবুজ গম্বুজ একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এটি আয়িশার বাড়ি ছিল। এখানে মুহাম্মদ (সা) এবং তার পরবর্তী শাসক দুইজন খলিফাকে দাফন করা হয়। ১২৭৯ খ্রিষ্টাব্দে কবরের উপর একটি কাঠের গম্বুজ নির্মিত হয়। এটি পরবর্তীতে ১৫শ শতাব্দীতে কয়েকবার এবং ১৮১৭ খ্রিষ্টাব্দে একবার পুনর্নির্মিত ও সৌন্দর্য‌বর্ধি‌ত করা হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] বর্তমান গম্বুজটি ১৮১৭ খ্রিষ্টাব্দে উসমানীয় সুলতান দ্বিতীয় মাহমুদ কর্তৃক নির্মিত হয়। এবং ১৮৩৭ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম সবুজ রং করা হয় ফলে এর নাম সবুজ গম্বুজ হয়েছে। 

    ৩. মসজিদুল আকসা 


    আল-আকসা মসজিদ বা বাইতুল মুকাদ্দাস  নামেও পরিচিত ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদ। জেরুজালেমের পুরনো শহরে এটি অবস্থিত। এটির সাথে একই প্রাঙ্গণে কুব্বাত আস সাখরা, কুব্বাত আস সিলসিলা ও কুব্বাত আন নবী নামক স্থাপনাগুলো অবস্থিত। স্থাপনাগুলো সহ এই পুরো স্থানটিকে হারাম আল শরিফ বলা হয়। এছাড়াও স্থানটি  "টেম্পল মাউন্ট" বলে পরিচত এবং ইহুদি ধর্মে পবিত্র বলে বিবেচিত হয়। ইসলামের বর্ণনা অণুযায়ী মুহাম্মদ (সা) মিরাজের রাতে মসজিদুল হারাম থেকে আল-আকসা মসজিদে এসেছিলেন এবং এখান থেকে তিনি ঊর্ধ্বাকাশের দিকে যাত্রা করেন। ইতিহাসবিদ পণ্ডিত ইবনে তাহমিয়ার মতে,
                               আসলে সুলাইমান এর তৈরি সম্পূর্ণ উপাসনার স্থানটির নামই হল মসজিদুল আল-আকসা ।

    মুহাদ্দিসগণ (হাদিস বিষয়ে পণ্ডিত) এই বিষয়ে একমত যে সম্পূর্ণ উপাসনার স্থানটিই ইসলামের নবী সুলাইমান (আঃ) তৈরি করেছিলেন যা পরবর্তীতে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল ।  মুসলমানরা বিশ্বাস করে , নির্মাণের পর থেকে এটি ঈসা (আঃ) (খ্রিস্টধর্মে যিশু) সহ অনেক নবীর দ্বারা এক আল্লাহকে উপাসনার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে এসেছে। এই স্থান মুসলিমদের প্রথম কিবলা (প্রার্থনার দিক)।  হিজরতের পর কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার কারণে কাবা নতুন কিবলা হয়। বর্তমানে "আল-আকসা" মসজিদ বলতে বোঝাায় কিবলি মসজিদ , মারওয়ানি মসজিদ ও বুরাক মসজিদ (৩টির) এর সমন্বয়  যা "হারাম আল শরীফ" এর চার দেয়াল এর মধ্যেই অবস্থিত।  খলিফা উমর বর্তমান মসজিদের স্থানে একটি মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। পরবর্তীতে উমাইয়া খলিফা আবদুল মালিকের যুগে মসজিদটি পুনর্নির্মিত ও সম্প্রসারিত হয়। এই সংস্কার ৭০৫ খ্রিষ্টাব্দে তার পুত্র খলিফা প্রথম আল ওয়ালিদের শাসনামলে শেষ হয়। ৭৪৬ খ্রিষ্টাব্দে ভূমিকম্পে মসজিদটি ধ্বংসপ্রাপ্ত হলে আব্বাসীয় খলিফা আল মনসুর এটি পুনর্নির্মাণ করেন। পরে তার উত্তরসুরি আল মাহদি এর পুনর্নির্মাণ করেন। ১০৩৩ খ্রিষ্টাব্দে আরেকটি ভূমিকম্পে মসজিদটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে ফাতেমীয় খলিফা আলি আজ-জাহির পুনরায় মসজিদটি নির্মাণ করেন যা বর্তমান অবধি টিকে রয়েছে।

    বিভিন্ন শাসকের সময় মসজিদটিতে অতিরিক্ত অংশ যোগ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে গম্বুজ, আঙ্গিনা, মিম্বর, মিহরাব, অভ্যন্তরীণ কাঠামো। ১০৯৯ খ্রিষ্টাব্দে ক্রুসেডাররা জেরুজালেম দখল করার পর তারা মসজিদটিকে একটি প্রাসাদ এবং একই প্রাঙ্গণে অবস্থিত কুব্বাত আস সাখরাকে গির্জা হিসেবে ব্যবহার করত। সুলতান সালাহউদ্দিন জেরুজালেম পুনরায় জয় করার পর মসজিদ হিসেবে এর ব্যবহার পুনরায় শুরু হয়। আইয়ুবী, মামলুক, উসমানীয়, সুপ্রিম মুসলিম কাউন্সিল ও জর্ডানের তত্ত্বাবধানে এর নানাবিধ সংস্কার করা হয়। বর্তমানে পুরনো শহর ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে তবে মসজিদটি জর্ডা‌নি/ফিলিস্তিনি নেতৃত্বাধীন ইসলামি ওয়াকফের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। (আরও পড়ুন...)

    ৪. সুলতান ওমর আলি সাইফুদ্দিন মসজিদ


    ব্রুনাইয়ের রাজধানী বন্দর সেরি বেগাওয়ানে অবস্থিত একটি রাজকীয় মসজিদ। এটি সমগ্র প্রশান্ত মহাসাগরীয় এশিয়া অঞ্চলের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন মসজিদ এবং একটি প্রধান পর্যটক-আকর্ষণস্থল । ব্রুনাইয়ের জনগণ এটিকে তাদের দেশের অন্যতম দর্শনীয় স্থান মনে করেন। ব্রুনাইয়ের ২৮তম সুলতান ওমর আলি সাইফুদ্দিনের নামে মসজিদটির নামকরণ করা হয়েছে। আধুনিক ইসলামী স্থাপত্যের অপূর্ব এই নিদর্শনটির নির্মাণকাজ ১৯৫৮ সালে সমাপ্ত হয়।  (আরও পড়ুন...)

    ৫. জহির মসজিদ


    মালয়েশিয়ার কেদাহ প্রদেশে অবস্থিত জহির মসজিদ মালয়েশিয়ার অন্যতম পুরাতন মসজিদ এটি। ১৯১২ সালে মসজিদটি সুলতান তাজউদ্দিন মুকারম শাহের ছেলে টুংকু মাহমুদ তৈরি করেছিলেন। মসজিদের ৫টি গম্বুজ তৈরি করা হয়েছে ইসলামের ৫টি ভিত্তির ধারণায়। (আরও পড়ুন...)

    ৬. ফয়সাল মসজিদ 


    পাকিস্তানের বৃহত্তম মসজিদ, যা পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অবস্থিত। মসজিদটি ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তুর্কি স্থপতি ভেদাত ডালোকে এর ডিজাইন করেন। মসজিদটি দেখতে অনেকটা মরুভূমির বেদুঈনদের তাঁবুর মতো। সারা পৃথিবীতে এটি ইসলামাবাদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

    সৌদি বাদশাহ ফয়সাল বিন আব্দুল আজিজ এই মসজিদ নির্মাণে সমর্থন এবং অর্থ সাহায্য প্রদান করেন। তাই এই মসজিদটি শাহ্‌ ফয়সালের নামে নামকরণ করা হয়। এই মসজিদটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম মসজিদ। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত মসজিদটি পৃথিবীর বৃহত্তম মসজিদ ছিলো। পরবর্তীতে মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কায় হাসান ২ মসজিদ নির্মাণ হলে ফয়সাল মসজিদ তার অবস্থান হারায়।

    পাকিস্তানের ইসলামাবাদ শহরে অবস্থিত এই মসজিদটি দক্ষিণ-পূর্ব এবং দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচে বড় মসজিদ এটি। পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম মসজিদের তালিকায় আছে এটি।  (আরও পড়ুন...)

    ৭. তাজ-উল মসজিদ


    ভোপালে অবস্থিত তাজ-উল মসজিদ। এটি ভারতের সর্ববৃহৎ ও এশিয়ার অন্যতম বড় মসজিদ। মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের শাসনামলে নবাব শাহাজাহান বেগম মসজিদটির নির্মাণ শুরু করেন। কিন্তু তিনি পুরোপুরি নির্মাণ কাজ শেষ করে যেতে পারেননি। পরবর্তী সময়ে তার মেয়ে সুলতানা জাহান বেগম তার জীবদ্দশায় এর কাজ অনেকটাই এগিয়ে নেন। তবে ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের পর ফান্ডের অভাবে মসজিদটির নির্মাণ অসমাপ্ত থেকে যায়। ১১৪ বছর পর ১৯৭১ সালে আল্লামা মুহাম্মাদ ইমরান খান নদভী আজহারি এবং মাওলানা সাইয়্যেদ হাসমত আলী ফের এর নির্মাণকাজ শুরু করেন। ১৯৮৫ সালে নির্মাণকাজ শেষ হয়। মসজিদটির তিনটি গম্বুজ ও দুটি সুউচ্চ মিনার। মসজিদের ভেতর ও বাইরে মিলে এক লাখ ৭৫ হাজার লোক একসঙ্গে নামাজ পড়তে পারেন। (আরও পড়ুন...)

    ৮. বাদশাহী মসজিদ


    পাকিস্তানের লাহোরে অবস্থিত পাকিস্তান ও দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম মসজিদ এবং পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম মসজিদ। ষষ্ঠ মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব ১৬৭১ সালে এই মসজিদটি নির্মাণ করেন এবং ১৬৭৩ সালে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। এই মসজিদ সৌন্দর্যের দিক থেকে মুঘল সম্রাজ্যের স্মৃতি বহন করে। পাকিস্তানের লাহোরের ইকবাল পার্কে অবস্থিত মসজিদটি একটি অন্যতম প্রধান পর্যটক আকর্ষণকারী স্থান। এটি দক্ষিণ এশিয়া এবং  পাকিস্তানের দ্বিতীয় বৃহৎ বড় মসজিদ। তাছাড়া এটি পৃথিবীর পঞ্চতম সবচেয়ে বড় মসজিদও। (আরও পড়ুন...)

    ৯. সুলতান ওমর আলি সাইফুদ্দিন মসজিদ


    ব্রুনাইয়ের রাজধানী বন্দর সেরি বেগাওয়ানে অবস্থিত একটি রাজকীয় মসজিদ। এটি সমগ্র প্রশান্ত মহাসাগরীয় এশিয়া অঞ্চলের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন মসজিদ এবং একটি প্রধান পর্যটক-আকর্ষণস্থল । ব্রুনাইয়ের জনগণ এটিকে তাদের দেশের অন্যতম দর্শনীয় স্থান মনে করেন। ব্রুনাইয়ের ২৮তম সুলতান ওমর আলি সাইফুদ্দিনের নামে মসজিদটির নামকরণ করা হয়েছে। আধুনিক ইসলামী স্থাপত্যের অপূর্ব এই নিদর্শনটির নির্মাণকাজ ১৯৫৮ সালে সমাপ্ত হয়। (আরও পড়ুন...)

    ১০. হাসান-২ মসজিদ


    মরক্কোর ক্যাসাব্লাঙ্কায় অবস্থিত ‘দ্বিতীয় হাসান মসজিদ’ (মাসজেদ আল-হাসান আল-থানি) হচ্ছে বর্তমানে বিশ্বের সর্বোচ্চ মিনার বিশিষ্ট মসজিদ। এটি একই সাথে বিশ্বের ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উঁচু। এই মসজিদের একমাত্র মিনারটির উচ্চতা ২১০ মিটার, যা প্রায় ৬০ তলা ভবনের সমান! ১৯৯৩ সালে নির্মিত এই মসজিদটির মুসল্লি ধারণ ক্ষমতা প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার। এর মিনারের চূড়ায় একটি লেজার বিম অবস্থিত, যা থেকে কাবা ঘরের দিক বরাবর সর্বদা একগুচ্ছ আলোক রশ্মি বিচ্ছুরিত হতে থাকে।

    এটি মরক্কোর ক্যাসাব্লাংকা শহরে অবস্থিত। এটি মরক্কোর সবচেয় বড় এবং পৃথিবীতে ৭ম বৃহৎ মসজিদ। ১৯৯৩ সালে মসজিদটি নির্মিত হয়।

    No comments

    Post Top Ad


    Post Bottom Ad