Header Ads

  • Recent Post

    কিভাবে আপনি একটি পরিপূর্ণ SEO Friendly Blog Post লিখবেন?


    Write SEO Friendly Blog Post: আপনি যে কোন ধরনের blog বা ওয়েবসাইট ট্রাফিক বৃদ্ধি করতে চাইলে Search Engine Optimization (এসইও) এর বিকল্প কিছু নেই। যত ভালমানের আর্টিকেল নিয়ে Bloging করুন না কেন, Search Engine Optimization ছাড়া ওয়েব জগতে সফলতার শেষ দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাবে না। কোন Blog বা ওয়েবসাইট মেইন কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে ভালমানের আর্টিকেল। আর্টিকেল হল ব্লগ এর প্রান ।


    আপনি যখন আপনার Blog এ ভাল মানের আর্টিকেল পোষ্ট করার পাশাপাশি সঠিকভাবে পোষ্টারের সকল SEO সম্পর্কিত বিষয় অনুসরণ করে আর্টিকেল প্রকাশ করবেন কেবল তখনই Blog এ পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিসিটর পাওয়ার আশা করতে পারেন। আর যদি আপনি সেটা করতে না পারেন তাহলে আপনার Blog এ যত ভাল মানের পোষ্ট থাকুক না কেন, সাময়িক সময়ের জন্য কিছু ভিসিটর পেলেও পোষ্টটি অন্য Blog এর সাথে কম্পিটিশন করে Search engine এ খুব বেশি দিন টিকে থাকতে পারে না।

    তাই আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব যে কিভাবে আপনি SEO Friendly Blog Post লিখবেন। পোষ্টটি ভাল করে পড়বেন আপনার কাজে আসবে।

    সংক্ষিপ্ত সামারি এক নজরে :
    1 Title
    2 মেটা ডেটা
    3 post permalink
    4 ইমেজ optimization
    5 Title ট্যাগ
    6 অন্যান্য বিষয়

    Write SEO Friendly Blog Post

    Write SEO Friendly Blog Post bangla 2019 


    Title:

    একটি পোষ্ট এর মূল হচ্ছে Title  যা বলতে বোঝানো হচ্ছে যে পোষ্ট এর সারমর্ম বা সারসংক্ষেপ। পোষ্ট এর Title  দ্বারা সবাই বুঝে নেয় যে ঐ পোষ্টের এর মধ্যে কি আছে ও পোষ্টটি কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ তা সংক্ষিপ্ত করে তুলে ধরা । ঠিক একইভাবে সার্চ ইঞ্জিন এর রোবট পোষ্টের এর Title দেখে এর পুরো পোষ্টটির  বিষয় বুঝে নেয়। তাই আপনি পোষ্টের এর Title যত ভাল মানেরে keyword এ সমন্বয় সাজিয়ে গুগিয়ে তৈরি করতে পারবেন, সার্চ ইঞ্জিনে আপনার পোষ্টটি তত জনপ্রিয় হবে অথবা সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্ট পেজে উপরে অবস্থান নিবে। বলা চলে যে, সার্চ ইঞ্জিন হতে একটি ব্লগ যে পরিমান ভিজিটর আসে, তার প্রায় 80% নির্ভর করে পোষ্ট Title এর উপর।

    পোষ্ট এর Title লেখার সময় আপনি যে বিষয় নিয়ে লিখবেন সেই বিষয়বস্তুর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কীওয়ার্ডের সমন্বয় করে 66 টি অক্ষরের মধ্যে একটি অর্থপূর্ণ টাইটেল লিখুন। মূল্যবান কীওয়ার্ড বাছাই ক্ষেত্রে আপনি গুগল এর ফ্রি keyword টুলটি ব্যবহার করুন। এই টুলটির সাহায্যে আপনার পছন্দসই keyword কী পরিমাণ অনুসন্ধান হচ্ছে ইত্যাদি সহ অনেক কিছু জানতে পারবেন। ফলে খুব সহজেই আপনার পোষ্টের Title গুরুত্বপূর্ণ কীওয়ার্ড গুলি পেয়ে যাবেন।

    Meta Data বর্ণনা:

    টাইটেল এর পরে Meta Data বিবরণ এর অবস্থান। কারণ সার্চ ইঞ্জিন একটি পোষ্ট এর টাইটেল পড়ে পোষ্ট এর Meta বর্ণনা কে গুরুত্ব দেয়। আমরা কোন ব্যক্তি যখন কোন সার্চ ইঞ্জিনে একটি keyword লিখে সার্চ করে, তখন সার্চ ইঞ্জিন যদি সেই শব্দটি খুজে  সহজেই পায় Meta Data এর জন্য। তাই এর প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।


    বর্তমান সময় অনেক blog পোষ্ট এ দেখা যায় মেটা বর্ণনাগুলি কোন গুরুত্ব দেয় না কোনটি 8/10 টি শব্দ লিখতে কাজ করে। আবার কেউ কেউ পোষ্টের title কপি করে মেটা বর্ণনা এর জায়গায় বসিয়ে দিচ্ছে। এমন অনেক ব্লগও রয়েছে যাদের ব্লগের প্রায় পোষ্টে একই ধরনের Meta ট্যাগ দেওয়া আছে। এই ধরনের মেটা বর্ণনা সার্চ ইঞ্জিনের কোন গুরুত্ব বহন করতে পারে।
    আপনি যদি একাধিক পোস্টে ঠিক একই ধরনের মেটা বিবরণ লিখে থাকেন তাহলে Google ওয়েবমাস্টার টুল আপনার Meta  Tag কে মেটা বর্ণনা সদৃশ হিসাবে চিহ্নিত করে। এই ধরনের Meta  Tag ব্লগের লাভের পরিবর্তে ক্ষতির সম্ভাবনা বাড়বে।সাধারণত পোষ্ট এর মূল বিষয়গুলির উপর ভিত্তি করে 160 অক্ষরের Meta  Tag বর্ণনা লেখা হয়ে থাকে। 

    এ ক্ষেত্রে যদি আপনি post এর  কয়েকটি লাইন কপি করে রাখেন, তাহলে এটি সার্চ ইঞ্জিনের কাছে কোন মূল্য বহন করবে না। তাই copy না করে সংক্ষিপ্ত একটা বিবরন লিখুন এবং খেয়াল রাখবেন যেন মূল keyword তার মধ্যে থাকে।


    Post এর permalink গঠন:


    যে কোন post লিখার সময় পোষ্টের সুগঠিত একটা ইউআরএল দিবেন এবং তার মধ্যে যেন আপনার মেইন keyword থাকে। কারন পোষ্ট এর permalink যদি পোষ্টের গুরুত্বপূর্ণ কীওয়ার্ডের সাথে মিলে যায়, তাহলে সার্চ result এ ভাল অবস্থানে আসার সম্ভাবনা বেশি। অনেকে এ বিষয়টিকে কোন গুরুত্ব না বিষয় ভিত্তিক keyword ছাড়া ইউআরএল লিখে থাকে।

    যেমন ধরুন , আপনি SEO বিষয় একটি পোষ্ট লিখেছেন কিন্তু পোস্টের URL টি দিয়েছেন www.banglatechblog.com/2019/04/post30.html। এ ক্ষেত্রে সার্চ ইঞ্জিন post থেকে ইউআরএল ব্লগের আর্টিকেল সম্পর্কে কিছুই বুঝতে পারবেন না। অন্যদিকে ইউআরএল টির গঠন যদি www.banglatechblog.com /2019/04/SEO Tips হয় তবে সার্চ ইঞ্জিনটি সহজেই বিষয়টি বুঝতে পারবে এবং rank দিতে সাহায্য করবে। 



    Image Optimization:

    কিভাবে একটি পোষ্ট এর image optimization করতে হয় অনেকে এটি জানেন না বিশেষ করে নতুন ব্লগার যারা। image হচ্ছে ব্লগ পোষ্ট এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পোষ্টে এ image ব্যবহার করে কোন বিষয় সম্পর্কে ভিসিটরদের স্পষ্ট ধারনা দেওয়া হয়। অন্যদিকে সার্চ ইঞ্জিন এ ও ব্লগের image গুলী আলাদাভাবে সার্চ রেজাল্টে আসে। সাধারণত আপনি দেখেছেন যে, গুগল সার্চ এর সার্চ রেজাল্টে image নামে একটি ট্যাব থাকে। সেখানে click করে কাঙ্ক্ষিত বিষয় অনেক ছবি পাওয়া যায়। যদি আপনি আপনার ব্লগের image সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি লিখে থাকেন, তবে সেই  ইমেজ থেকে অনেক ভিজিটর পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। আর এ জন্য সব সময় ব্লগ ইমেজ এ  Alt ট্যাগ ব্যবহার করবেন ও Alt ট্যাগ এ আপনার পোষ্ট এর মেইন keyword দিয়ে দিবেন এবং ক্যাপশন দ্বারা অপটিমাইজ করবেন।


    Title Tag:

    সাধারণত ব্লগের বিভাজন করতে গুরুত্বপূর্ণ টাইটেল ট্যাগ গুলি H1, H2, H3 এবং H4 আকারে লেখা থাকে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ক্ষেত্রে এই ধরনের title ট্যাগ গুলি অনেক গুরুত্ব বহন করে। আপনি যখন একটি post লিখেছেন, তখন পোষ্টের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ title ট্যাগ টি H1 আকারে লিখুন। কারণ সার্চ ইঞ্জিনের কাছে যে কোন blog H1ট্যাগটি অন্য শিরোনাম ট্যাগ এর চাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তারপর অবশিষ্ট শিরোনাম ট্যাগ H2, H3 এবং H4 ক্রমবর্ধমান Bold বা ইটালিক ব্যবহার করে লিখুন।আর প্রতিটি Tag এ আপনার পোষ্টের এর মেইন keyword রাখুন।

    উপরে উল্লিখিত 5 টি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে যা একটি post লেখার সময় না করলেই নয়। কারন এ 5 টি বিষয় বাদ দিলে কোনও পোষ্টই SEO বন্ধুত্বপূর্ণ হবে না। এছাড়া আরো কিছু বিষয় রয়েছে যা করলে একটি পোষ্টে আরো আকর্ষণীয় এবং SEO বন্ধুত্বপূর্ণ জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

    অন্যান্য বিষয়

    Artikel নিয়ে চিন্তা করুন: আপনি যে বিষয় নিয়ে লিখতে চান, তার আগে অবশ্যই বিষয় ভাল চিন্তা এবং পরিকল্পনা নিতে হবে। post এর মূল বিষয় কী, কিভাবে সাজিয়ে লিখতে হবে, post লেখার সময় কোন বিষয়গুলো কোথায় আনতে হবে ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে ভাল পরিকল্পনা করা হবে বুদ্ধিমমানের কাজ। প্রয়োজনে বিভিন্ন blog থেকে আইডিয়া নিন যা আপনার পোষ্ট  লেখার সময় আপনাকে সাহায্য করবে।
    Paragraph ভেঙ্গে ফেলুন: আর্টিকেল লেখার সময় সব ধরনের বিষয় একসাথে না লিখে টপিকের মাঝে মাঝে  ভিন্নতাবেধে আলাদা আলাদা Paragraph আকার সাজিয়ে লিখুন। প্রতিটি Paragraph এর মধ্যে একটি নির্দিষ্ট পরিমান খালি জায়গায় রাখুন।এতে করে পাঠক এবং সার্চ ইঞ্জিন উভয়ই post এর প্রতিটি টপিক সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পাবে।

    নিয়মিত post পাবলিশ করাঃ প্রতিদিন কমপক্ষে একটি ভালমানের post শেয়ার করতে পারলে আপনার blog এ প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি Search engine বট প্রতিনিয়ত আপনার ব্লগে ভিজিট করতে থাকবে। ফলে Blog এর ক্রাউল রেট বৃদ্ধি হবে সাথে সাথে দ্রুত ইনডেক্র হবে। তাছাড়া যে blog এ নিয়মিত post শেয়ার করে সে ব্লগ পাঠক এর কাছে নিকট দ্রুত জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে।

    Share : বর্তমান সময়ে Social media জনপ্রিয়তা এত বেড়ে গেছে যে, সবাই এখন Social মিডিয়াকে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ব্যবহার করছে। কাজেই আপনার প্রতিটি post যাতে পাঠকদের সহজেই শেয়ার করা হয়, সে জন্য পোস্টের সাথে অবশ্যই বিভিন্ন Social মিডিয়াতে শেয়ার করার অপশন যোগ করুন।

    Internal link: আপনি যে বিষয় নিয়ে post করেছেন সে post এর মাঝে আপনার ব্লগের অন্য কোনও পোস্ট link দেওয়াকে অভ্যন্তরীণ লিঙ্কিং বলা হয়। এটি আপনার ব্লগ এর back link বৃদ্ধি করার পাশাপাশি নতুন পোষ্ট  দ্রুত rank করতে সাহায্য করে। তবে এ ক্ষেত্রে মনে রাখবেন যে link এর পরিমান যাতে খুব বেশী না হয় এবং নতুন post টির সাথে মিল পাওয়া যায় না কোন পোষ্টের link শেয়ার করতে হবে।

    সর্বশেষঃ আশা করি Write SEO Friendly Blog Post আজকের এই পোষ্টটি আপনাদের উপকারে আসবে। পোষ্টটি ভাল লাগলে share করুন এবং কোন কিছু জানার থাকলে নিচে Comment করুন এবং না বুঝলে নিচ থেকে ভিডিওটি দেখে নিন।



    2 comments:

    1. অনেক সুন্দর হয়েছে

      ReplyDelete
      Replies
      1. ধন্যবাদ আপনার কমেন্ট এর জন্য...

        Delete

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad